পোস্টগুলি

দ্বিমুখী নীরবতা

ছবি
একটা একতরফা গণহত্যায় যারা দু তরফকেই আঙ্গুল উঁচিয়ে বকা দিয়ে সম্প্রীতি রক্ষা করতে যাচ্ছেন, তারা গণহত্যাকারীদের চেয়েও ঘৃণিত। মুর্শিদাবাদের ওয়াকফ পরবর্তী তাণ্ডবে একটাই পক্ষ। কেবল একটাই। যারা মেরেছে, লুঠ করেছে, হিন্দু বাঙালিকে দেশভাগ পরবর্তী উদ্বাস্তু জীবনের ফ্ল্যাশব্যাক দেখিয়েছে। তারা একটাই পক্ষ।  কোন Predator যখন Prey কে গিলে নেয়, তখন আপনি Prey কেন উড়ে যায় নি, বাগানে বসে বসে হাওয়া খাচ্ছিল ইত্যাদি বলে দোষ খুঁজতে যান?  যখন কোন মেয়ে নির্যাতিতা হয় তখন ইনিয়ে বিনিয়ে মেয়েটির দোষ খুঁজতে যান, বলেন দুপক্ষের বিবাদ মিটিয়ে নিন? আশা করি, বলেন না। তাহলে এক্ষেত্রেও বলবেন না।  আপনার মনে প্রশ্ন আসে না? গাজায় হামাসের নৃশংসতা দেখার পরও যারা ইজ্রায়েলকেই একমাত্র কালপ্রিট বলে দেয়, তারা একবস্ত্রে মুর্শিদাবাদের হিন্দু পরিবারগুলোকে পালাতে দেখে কেন এত ব্যগ্র হয় দুটো পক্ষ খুঁজে পাওয়ার জন্য? মুর্শিদাবাদের তান্ডবকে জাস্টিফাই করতে কেন বারবার লুপে ঘুরে ঘুরে গুজরাট দাঙ্গা আসে? আর গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে বলার সময় আসে না সন্দেশখালি, আসে না মুর্শিদাবাদ। কেন শরিয়তি ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে এককভা...

বামেদের বাৎসরিক #MeToo উৎসব, নম্বর ৭৮৬

ছবি
  বেলুড়ের মুসলিম শিক্ষক এবং আনন্দ বাজার পত্রিকার লেখক শামীম আহমেদের দিকে অভিযোগ উঠেছে ‘পাতানো মেয়ের’ সঙ্গে অভব্য আচরণের । না, নকশাল ও নারীবাদী মেয়েটির প্রতিও আমাদের বিশেষ কিছু সহানুভূতি নেই। তবে একটা প্রশ্ন আছে। এর আগেও বারবার হিন্দু বিদ্বেষের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও রামকৃষ্ণ মিশনের শিক্ষা সংস্থার এক বড় পদে তিনি কিভাবে থাকছেন, সেটাই আশ্চর্যের। এবং এঁকে নিয়ে মিশন সমর্থক বা ভক্ত হিন্দুত্ববাদীদের হিরন্ময় নিরবতা বিশেষ আশ্চর্যজনক। যেখানে “হিন্দুত্বের পথ থেকে বিচলিত হওয়ার কারণে” খুব সহজেই মোদী ও অমিত শাহের মুণ্ডপাত করাটা আজকাল ফ্যাশন, সেখানে এক টিপিক্যাল হিন্দু বিদ্বেষী মানুষকে তোল্লাই দেওয়ার জন্য মিশন কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা যাবে না কেন, এবং দায়ী করে সমালোচনা করলে কিভাবে ‘হিন্দু ঐক্য’ নষ্ট হবে, সেটা আমার বোঝার বাইরে... যাই হোক। আরও একটি খবর অনুযায়ী, ইউপির এক পরিবারের নয় কন্যার মধ্যে তিন কন্যাই আব্বুর বিরুদ্ধে যৌণ নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন। এবং গ্রেপ্তারও হয়েছেন সেই আব্বু।  এক মরু বর্বর বৌমাকে নিকাহ করেছিল। তাকে অনেকেই মহাপুরুষ টাইপের কিছু মনে করে আপনারা এইসব ঘটনার মধ্যে কী ক...

সিরিজ #SayNoToHalal : সূচনা

ছবি
 কারোর এঁটো খাওয়া আপনার স্বাধীনতা হতেই পারে, কিন্তু না খাওয়াও ইন্ডিভিজুয়ালের স্বাধীনতার মধ্যেই পড়ে। অর্থনৈতিক মনোপলির কথা ছাড়ুন,  আগে এই প্রশ্নের জবাব দিন, একজন প্র্যাকটিসিং মুসলিম কি একজন হিন্দু দেবতার প্রতি উৎসর্গীকৃত প্রসাদ সেবন করেন? তাহলে আল্লাহর প্রতি উৎসর্গীকৃত খাদ্য একজন প্র্যাকটিসিং হিন্দু যদি না খেতে চান, তাহলে তার বিরোধিতা করার অধিকার আপনার জন্মায় কিভাবে? হালাল মিট কোনোভাবেই ধর্মনিরপেক্ষ নয়। নির্দিষ্ট ইসলামিক নিয়ম  dhabīḥah   মেনেই পশুটিকে মারা হয়। ঠিক যেভাবে একজন মুসলিমের অধিকার আছে নিজস্ব রিচুয়াল মেনে হালাল মিট খাওয়ার, ঠিক সেভাবেই এক হিন্দুর অধিকার আছে ওই খাদ্য বয়কট করার।  It's so simple. 😊